ভাস্কর চৌধুরী
September 25, 2019
মোস্তফা মঈন
September 25, 2019

মেঘ অদিতি

বোঝা না বোঝার ‘তুমি’

“And you? When will you begin that long journey into yourself?” –Rumi

 

প্রতিটি বাঁক বদলে সরে সরে যায় মুহূর্ত কাঁটা। খানিক আগে ছিল বিকেল। রোদ মনোহর কমলা আভার। নিজের ছায়ার সাথে আগুপিছু কাটাকুটি খেলছিলাম। অথচ তিনটে বাঁক ঘুরে যাবার সাথেই নেমে এল শীতসন্ধ্যা। পার্কের একোণে ওকোণে বাঁধানো বেঞ্চিতে কত যে যুগল.. কত মুখরতা! চোখের দর্পণে সেসব মুহূর্ত ধরতে ধরতে পথে বিছানো শুকনো পাতার ওপর দিয়ে তখন হেঁটে চলেছি। চলাটি আপাত নির্বিকার, মুখের ভাঁজে সন্ধ্যার ওঠাপড়া কিছু নেই। কিন্তু মন তো মুখ নয়। মনের ভেতর সারাটাক্ষণই একথা সেকথার ঢেউ ভাঙছে।

 

চোখ থেকে মনের পর্যটনে যুগল গল্পের বিকেল দেখতে গিয়ে সে সন্ধ্যায় কোথা থেকে উঠে আসে কবিতার চরণ,

 

তোমার হাত ছুঁয়ে

এই শিলাগুল্ম চিরজাগরূক বোধ নিয়ে আসে..

 

মুহূর্ত চলকে যায়। এ কোন তোমার কথা? এ কি বাংলা কবিতার পঙক্তি শুধু! কেবল শব্দের খেলা! নাকি যেভাবে ইলেকট্রন এনার্জি লেভেলে পৌঁছুলে তা বেরিয়ে আসে ফোটন আকারে, অর্থাৎ আলো, যার নিজস্ব আভা ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে এও তেমনই! প্রতি শব্দে পূর্ণ মায়া রেখে দেড় পঙক্তির সম্পূর্ণ কবিতা হয়ে ওঠা! চিরজাগরূক শব্দে ভর দিলে বিস্ময় জাগে, দেখার ভেতর, বোধের ভেতর এমন অভিজ্ঞতার মিশেল কী করে হয় যা থেকে এমন নির্মাণ হয়!

 

ঠিক তখনই আবার ভাবনায় এসে পড়ছে আরেক ভাবনা। কোন এক অজানা কারণে মানুষের মনে থেকে থেকে ভর করে আরও এক ‘তুমি’! সে ‘তুমি’র অবস্থানগত পরিবর্তন ঘটে কতজনকে কতবার ‘তুমি’ মনে হয়। এক হাত ছেড়ে অন্য হাত, প্রিয় ঠোঁটের গভীরতা মাপতে মাপতে চোখ পড়ে অন্যের চোখে আর তখনই মনে হয়,  তোমাকেই খুঁজেছি এতদিন। তোমাকেই দরকার। কেন এত বদলে বদলে যায় ‘তুমি’?  কারো মাঝেই তার অস্তিত্ব কেন থাকে না শেষ অবধি? তাহলে কোন ‘তুমি’কে আমরা খুঁজে বেড়াই জীবনভর, না কি অন্য কারো মাঝে নিজেরই অস্তিত্ব খোঁজে মানুষ আর খুঁজতে গিয়ে বাঁকবদলের মতো বদলে বদলে যায় ‘তুমি’?

 

এই আমি, আর সে ‘তুমি’ কি তাহলে নিজেকেই খুঁজে ফেরা?

 

বিচ্ছিন্ন ভাবনার স্তরে স্তরে জাগে প্রশ্নের পর প্রশ্ন। উত্তর মেলে না, মাঝেমধ্যে সামান্য আভাসের মত স্ফুলিঙ্গ জ্বলে মুহূর্তেই অন্ধকার। হঠাৎ হঠাৎ ভাবনার এমন ওঠাপড়া বড় বেশি যেন এলোমেলো করে দেয়।

 

কে আমাকে ডাকল, আমি জেগে উঠলাম

অন্ধ এই অন্ধকারে শব্দ হল ফুল

রক্তমুখী, বুকের উপর দুলছিল তার রং

ধাতুর মতো, কে আমাকে আনল গুহার তলে।

পাথরগুলো বিস্ফার চায়, তারার মতো জ্বলে..

 

এই “তুমি” কি চেতনা? এই জেগে ওঠা কি মনের দৃষ্টি খুলে যাওয়া! কে ডাকে?  রহস্যের সঙ্গে জ্ঞানের সংযোগ? ভিন্ন রূপে এই জেগে ওঠার ভেতর তাহলে প্রোথিত রয়েছে অন্য আরেক বিশাল জগৎ! নিজের ভেতরে নিজেকে খুঁজলে তবে নাকি অসীমের সন্ধান মেলে! জালালউদ্দীন রুমী যাকে বলছেন অস্তিত্বের অভ্যন্তরীন এক গৃহ; যেখানে মনের গভীরে প্রতিটি প্রতিচ্ছায়ার আবির্ভাব ঘটে ও দৃশ্যমান হয়ে ওঠে। এই যে স্তবক সেও তো তেমন এক উপলব্ধিরই সাক্ষ্য!

 

কত কী অজানা.. কিছুই বুঝি না যে সেভাবে।

 

শূন্য, মহাকাল, গ্যালাক্সি, ব্ল্যাকহোল এসবেরও বা কতটুকু বুঝি? রাতের আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে যেদিন জানতে পারি তারা ঝলমলে যে আকাশটি দেখছি তার নক্ষত্রগুলো বহু বছর আগে মৃত নক্ষত্রে পরিণত হয়েছে আর একটা অতীতের ছবির নিচে দাঁড়িয়ে আছি এখনকার আমি, অতীত আর বর্তমান কী করে একই সময় অবস্থান করে ভেবে প্রবল বিস্মিত হয়ে পড়েছিলাম, যে ফোটনের সূর্য থেকে পৃথিবীতে আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড, যে ফোটনের গতিবেগকে এত বেশি বলে অবাক হয়েছি এই রহস্যময় মহাবিশ্বের স্পেসটাইমের হিসেবের কাছে সে যে আসলে কত ক্ষুদ্র সে বিস্ময়ে সহসা মনে এসেছে এ বিশালতার কাছে আমি তো তবে ধূলিকণার চেয়েও তূচ্ছ। কিন্তু তুচ্ছ বলে কি আমার অস্তিত্ব বলে কিছু নেই? জগতের সমস্ত তুচ্ছেরই অস্তিত্ব আছে। আমারও আছে কিন্তু এ অসীম অনন্তে এ মহাশূন্যে আসলে কে আমি? কী আমি? একদিন চলে যেতে হবে যদি তাহলে কিসের জন্য এত আয়োজন? রিল্‌কে তাঁর এক চিঠিতে লিখেছিলেন, আমরা যদি কেবলই আমাদের ভালোবাসায় অসম্পূর্ণ, আমাদের সিদ্ধান্তে অনিশ্চিত আর মৃত্যুর সামনে অসহায়, তবে ধারণাতীত এই জীবন নিয়ে আমরা কোথায় চলেছি?

 

সত্যি তো, কোথায় চলেছি?

 

হাসন রাজার একটা গানের কথা এইরকম- তুমি কে আর আমি বা কে/ তাই তো আমি বুঝি না রে।/এক বিনে দ্বিতীয় আমি, অন্য কিছু দেখি না রে/ আমি আমি বলে যারা, বুঝে না বুঝে না তারা।/ লাগিয়াছে সংসারি বেরা, মূর্খতা ছুটিছে না রে..

 

 

লালন সাঁইজির গানেও এমন কথা ঘুরেফিরেই আসে। তাঁর দুটো চরণ এমন, কাছের মানুষ ডাকছ কেন শোর করে/ আছিস তুই যেখানে সেও সেখানে/ খুঁজে বেড়াও কারে রে

 

সাঁইজি বা হাসন রাজার  গানের চরণ থেকে এক বিন্দু আলো যে মুহর্তের জন্য জ্বলে উঠে মনে হয় ‘তুমি’ সর্বনামের আড়ালে যে সে তো ‘আমি’ই অর্থাৎ মানুষের দেহের মধ্যেই বিরাজমান সব। কিন্তু ‘আমি আমি বলে যারা’ আর ‘আছিস তুই যেখানে সেও সেখানে’ কি একই কথা বলছে?

 

এত অজানায় খেই হারিয়ে ফেলি বারবার কিন্তু ‘তুমি’, তোমাকে ভোলা যায় না। ফিরে ফিরে ‘তুমি’ আসে মনে।

 

ডানায় রক্তের দাগ, উড়ে তুমি কোথা থেকে এলে

এই অশথের নীচে দুদণ্ড জিরোও, এর নীচে

কোনো ক্লান্তি ক্লান্তি নয়, কোনো ক্ষোভ নয় কোনো ক্ষোভ

তোমারও তো শেষ নেই, তুমি কেন ভাবো অপারগ?

 

গানের তুমির কাছ থেকে ফিরে আসি কবিতার কাছে। আশ্রয় খুঁজি। এই ‘তুমি’ কে প্রেম বিরহের ‘তুমি’ দিয়ে ভাবা নিশ্চয় যায় কিন্তু সে যে কখনও মহাজাগতিক এক সত্তা হয়েই উঠছে না সে কথা কি আমরা বলতে পারি?

 

এই শব্দকুহকের সামনে আর সময় থাকে না

আগুন জ্বালবারও আগে দিনপল অন্ধ হয়ে যায়

ছুঁয়ে শুধু বুঝে নিই পাথর জলের ফেনা ঘাস

বর্তুলতা কঠোরতা ভরে নিই হাতের মুঠোয়

বুকে এনে বলি তাকে, আমি অন্ধ, তুমি কি বধির?

শুয়ে আছো বসুন্ধরা সর্বস্ব ছুঁয়েছ তুমি কার?

দৃশ্য নও, শ্রুতি নও, স্পর্শ তুমি শরীরবিহীন...

 

কী বিস্ময়! সৃষ্টির এমন পঙক্তির সামনে বিস্মিত হতে হতে মনে হয় উপলব্ধির কাছে এসে দাঁড়াতে জানলে কিছু কঠিনেও সামান্য আলোর ঝিলিক লাগে। কিছু অর্থ বোধে উপনীত হতে চায়। এসব কবিতার ‘তুমি’ তখন হয়ে ওঠে আত্ম অন্বেষণ। অর্থাৎ নিজেকে খুঁড়ে খুঁড়ে চলা, পরিধিকে কেন্দ্রের দিকে নিয়ে যাওয়া অথবা নিজেকে সেই ‘তুমি’র কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা যেখানে আমি এবং তুমির অবস্থান একই এবং তাদের অভিমুখও একই দিকে ধাবিত।

 

কাহলিল জিবরানের দি প্রফেটের আল-মুস্তাফা ওরফেলিস নগরে বার বছর অতিবাহিত করার পর জন্মভূমিতে ফেরার সময় তাঁর মনে একে একে প্রশ্ন এসেছিল, বিচ্ছেদের দিন কি তবে মিলনেরও দিন? আমার সন্ধ্যাই ছিল আমার সকাল? সর্বশক্তিমানের হাত যে বীণা স্পর্শ করবে আমি কি সেই বীণা? তার নিঃশ্বাস যে বাঁশি দিয়ে নির্গত হবে আমি কি সেই বাঁশি?

 

অর্থাৎ আত্মজিজ্ঞাসা।

 

এবার ফরাসি কবি জেরার দ্য নেরভালের “Every flower is a soul blossoming in nature” উক্তিটির দিকে একবার তাকানো যাক, ঘুরে তাকানো যাক শীতপ্রকৃতির নিজস্ব যাপনের উৎসবে ফুটেছে যে লাল-হলুদ অজস্র ফুল, তাদের দিকে। নিজেকে মেলে ধরেছে তারা সূর্যালোকে। আপাত সে ফুলের একটা নাম নিশ্চয় আছে। সে নামেই তাকে ডাকব আমরা। সেই তার পরিচয়। কিন্তু জেরারের কথাটাকে ভাবুন একবার! প্রকৃতিতে ফুটে ওঠা প্রতিটি ফুলই এক একটা আত্মা।

 

আত্মা কী তাহলে?

 

আত্মই বা কী? আর আত্মানুসন্ধান.. জিজ্ঞাসা..

 

সাধ্য কি রে আমার সেরূপ চিনিতে

অহর্নিশি মায়ার ঠুসি

জ্ঞান চক্ষুতে

ইশাণ কোণে হামেশ ঘড়ি

সে নড়ে কি আমি নড়ি

আমার আমি হাতড়ে ফিরি

না পাই দেখিতে

-লালন সাঁই

 

 

 

আত্ম’ শব্দের অর্থ ‘আমি’। আত্ম থেকে আত্মা অর্থাৎ ‘আমিত্ব’। এবার তাহলে আমি কে?  আমিত্ব কি?

 

আরবি- ‘নফস’ শব্দ থেকে ‘আমিত্ব’ সম্পর্কে একটা ধারণা পাওয়া যায়। ইসলাম ধর্ম অনুসারে যে তার নফসকে চিনলো, সে তার প্রভুকে চিনলো। এ অর্থে আত্মানুসন্ধান কি তাহলে সেই অপ্রত্যাশিতের সন্ধান, প্রভুর দর্শনলাভ? দর্শন অনুযায়ী আত্মাকে আমরা বলি, শরীরের অংশ। হিন্দু বিশ্বাসমতে “আত্মা” হল চিৎকণা, যা মানুষ, পশু, উদ্ভিদ, জল, স্থল, অন্তরীক্ষ সর্বত্র পরিব্যাপ্ত। আবার যদি এভাবে ভাবি, আধো অন্ধকারে কিছু দূরে একটা বাড়িকে ঘিরে ছড়িয়ে পড়ছে হালকা নীলাভ আলো, দূর থেকে তা দেখা যায়। বাড়িটা  ততটা দৃশ্যমান না হলেও দূর থেকে সেই হালকা আলো জ্বলে থাকাটুকু দৃশ্যমান। ‘আত্ম’কে তো সেভাবেও ভাবা যেতে পারে। অর্থাৎ নিজের জ্বলে ওঠা, নিজেকে জাগানো, নিজেকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, বিস্তৃত করা সেটাই আত্ম। আবার যদি এভাবে ভাবি, দূর থেকে যা কিছু ঝাপসা বা বিন্দুসম, গভীর পর্যবেক্ষণে তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ‘আমি’ বা ‘তুমি’-র আড়ালে যে সত্তাটি সহজে ধরা দেয় না তারই অনুসন্ধান আত্মানুসন্ধান। আমি এবং আরেক আমি যাকে বলছি ‘তুমি’ অথবা সেল্ফ সেক্ষেত্রে একই সঙ্গে বিষয় ও বিষয়ী কিন্তু একে অন্যের থেকে আলাদা থাকছে না। দেকার্তকে এখানে মনে করতে পারি, অন্যসব জ্ঞানের প্রামাণ্য সন্দেহ করা গেলেও ‘আমি’র প্রামাণ্যকে সন্দেহ করা চলে না। আমি আছি বলেই তো “আমি” কিন্তু ভেতরের যে ‘আমি’ তার স্বরূপ জানতে গেলে নিজেকে খুঁজতে হয়। এই সম্বন্ধ অনুধাবণ করা সহজ নয়। যত নিজের ভেতরে যাওয়া যায়, তত নিজেকে ছড়িয়ে দেওয়া যায় অসীমে।

 

একটা পেঁপে গাছের কথা প্রসঙ্গক্রমে মনে পড়ে, যার আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল আমাদের বারান্দার টবে। যে পেঁপে গাছ সে পুরুষ না নারী ভাবার আগে নিজের শেকড়বাকড় দিয়ে মাটিকে আঁকড়ে মাথা উঁচু করছিল সে একটু একটু করে, একটি পেঁপে গাছ হিসেবেই। আরেকটু বড়সড় হয়ে উঠতে গিয়ে সে গাছ মাথাটিকে গলিয়ে দিল গ্রিলের বাইরে সূর্যালোকের দিকে। নিজেকে এই আলোর দিকে নিয়ে যাওয়া, যেমন একদিকে আলোকিত করার অভিপ্রায়, তেমন টিকে থাকার লড়াই, তেমনই আবার নিজের অস্তিত্ব প্রমাণে প্রতিষ্ঠার লড়াইও বটে। বোধ অবোধের প্রান্তসীমায় দাঁড়িয়ে ভাবি মানুষও তাই। ভূমিষ্ঠ হওয়া মানে ভূমিতে শেকড় প্রোথিত হওয়া। এবার সমস্ত প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে মানুষকে টিকে থাকতে হবে। বেড়ে উঠতে হবে। লড়াই করতে হবে। এরপরই নিজেকে আলাদা চিহ্নিতকরণে ব্রতী হয় মানুষ। বারবার নিজেকে আত্মজিজ্ঞাসার মুখোমুখি দাঁড় করায়। নশ্বর জেনেও স্থায়িত্ব খোঁজে, পূর্ণতা খোঁজে। আর একটা চিহ্ন রেখে যাবার প্রবল বাসনায় নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে ভেঙেচুরে বারবার নির্মাণ করে নিজেকেই। জিজ্ঞাসায়, নির্মাণে তখন হয়ত সংযোগ ঘটে বাইরের সাথে ভেতরের, ‘আমি’র সাথে ‘তুমি’র, একের সাথে অনন্তের..

 

তুমি বা আমি অথবা কেবল মানুষ, বস্তুজগতের আওতা থেকে অন্তর্লোকের দিকে যার পথচলা,  তার সমস্তটাই আমার বোঝা না বোঝার ‘তুমি’র এই যাত্রায় এক অমীমাংসিত খাদের ধারে অস্পষ্টতা মেখে এবার একলা দাঁড়িয়ে কিন্তু এতটা সময় চলতে চলতে নিজের ভেতর তো কিছু প্রশ্ন তৈরী হয়েছে তাতে অন্তত এটুকু বোধগম্য হয়, মানবসত্তা  চিরন্তন ও অন্যসব কিছু থেকে স্বতন্ত্র ও রহস্যময়। তাকে খুঁজতে গেলে, উত্তর পেতে গেলে জেগে থাকতে হবে, কান পাততে হবে হৃদয়নিভৃতে..

 

হয়ত সে জাগৃতির কোনো এক পূর্ণিমা তিথিতে তিনি আসবেন। জানতে চাইবেন.. কো.. জাগর..

 

ততদিন জেগে থাকা..

 

*****

প্রকাশিতঃ ঐহিক,  কোজাগর সংখ্যা।

গ্রন্থঋণ:

জালালউদ্দীন রুমী : ফীহি মা ফীহি

দি প্রফেট: কাহলিল জিবরান

দর্শন ভাবনা: আমিনুল ইসলাম

এ আমির আবরণ: শঙ্খ ঘোষ

কবিতাঋণ: শঙ্খ ঘোষ (গান্ধর্ব কবিতাগুচ্ছ)