কষ্টের কষ্ট // ওবাইদুল হক
May 3, 2018
কৈলাশটিলা চা বাগান কিংবা ধরুন কঙ্গোর গৃহযুদ্ধ ।। কাজী মুনতাসীর মুর্শেদ
July 3, 2018

মেঘালীমেয়ে-৪ // কুহক মাহমুদ

কখনও দিগন্তের বিরাণবুক শূন্যতা নিয়ে ঘরে ফেরা পথের স্পন্দনে টের পাই মেঘালীমেয়ে আমার সঙ্গী। যে আমার

রুদ্রাক্ষ কেড়ে নিয়ে করেছে নিঃস্ব। এখন জালিয়াতির দ্বিধায় জেগে থাকে বেসামাল অনুপম, হারিয়ে যাওয়া চুড়ির শব্দ!

রুমঝুম পায়েল নিক্কণ আর একটা ভরাট গলার আবৃত্তি! তোমার হয়তো এখন আর সে সব কথা মনে নেই। ভুলে গেছো

হয়তো ঘরপোড়া মলোপাড়ার মেঝোমাসির কথা, যে জানতো ভেজাচড়–ই কেমন করে বালির ভেতর আঁকতে পারে

ফুলে ওঠা একফালি ভালোবাসার চর আর রঙদুপুরে কার্তিকের মেঘ। যার ছায়ার মধ্যে চুল জড়িয়ে কেউ আড়াল করে তার আসা-যাওয়া। আমি কিছু মনে রাখতে পারি না, মনে রাখতে পারি না; কী করে বোতামে বিঁধলে সকাল; ভিজে ওঠে

চায়ের কাপে শুকনো টোস্ট বা পৌরাণিক ট্যাবু! এমনি সুযোগে তৃতীয় পক্ষের কেউ মন্ত্র সেধে যায় কানে, বলে যায়

আনাচপাতি মশলার দোকান ঘুরে দেখো ভাই, মাংসের ঘ্রাণ পেয়ে যাবে। আমি এসব রাজহাঁসদের সাথে ডুব সাঁতার না

দিতে পেরে বেচে দেই ভবিষ্যৎ। তবে তার আগে অবশ্যই চিৎকার করি গোপনে এবং করবোও প্রকাশ্যে, বলবো ―

আমারও ইচ্ছে করে বাদুরের সূর্যগ্রস্ততায় মাতাল হই, শালিকের নিঃসঙ্গতায় ঈশ্বরের মতো একা ডিগবাজি খাই

ধুলোর মাঠে, কারণ আয়নার প্রতিবিম্বে পশম ছিঁড়লে ডুব দেয় রূপের কূপ। ভাগ্যিস আমি সাঁতার জানি না, নয়তো

কেনো তুমি মুঠোতে মুঠো নিতে হেরে যাও আঙুলের কোষকৌশল? এখন যে সব লূ-হাওয়া থেকে উড়ে আসে উষ্ণতা,

আমি সেখানে খুঁজে পাই বন্ধুর কবিতা, প্রেমান্ধ রবীন্দ্রের গান আর নারীদেহ। ওগো নারী! তুমি হয়তো জানোই না আমি

এক নামানুষ, যখন খুশি বলতে পারি, তোমারই বাদলা রজতে গড়ে গয়না নিরাভরণ আকাশের সূর্যপুরুষ

ঢাকা